শ্রী শ্রী রমনা কালীমন্দিরে অনিয়ম আর আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া অপর্ণা রায় ও সুভাষ দাস।
স্বদেশ বাংলা ডেস্কঃ
রক্ষক যেখানে ভক্ষক হয় অবিচারের আয়না এই সমাজে ইনসাফ কভু আশা করা যায় না এ যেন তেমনই এক গল্প। গত ৫ আগষ্ট ২০২৪ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তোপের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন স্বৈরাচার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাসিনার পদত্যাগের পর একের পর এক বেরিয়ে আসে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, দলীয় নেতাকর্মী, ব্যাংক কর্মকর্তা সহ বেশ কয়েকজনের দেশদ্রোহী কার্যক্রম প্রকাশ পায়। তার মধ্যে অন্যতম সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় রয়েছে রমনা কালী মন্দির কে নিয়ে। ইন্ডিয়ান হাইকমিশন অর্থায়নে নির্মিত ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ৮০০ বছরের পুরোনো রমনা কালী মন্দির। গত ৫ আগষ্ট ২০২৪ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তোপের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন স্বৈরাচার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশ ছাড়ার পরই কিছু লোক বিএনপি দলের নাম ভাঙ্গিয়ে মন্দির রক্ষনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে অভিযোগ মন্দির ভক্তবৃন্দের। এ অভিযোগ উঠেছে, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মেয়ে অর্পনা রায় ও তার স্বামী শুভাস দাসের বিরুদ্ধে।
দূর্গা পূজাকে সামনে রেখে বার্তমান মন্দির কমিটিকে তোয়াক্কা না করে নতুন করে পূজা উৎজাপন কমিটি ঘোষণা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গায়েস্বর চন্দ্র রায়ের মেয়ে অর্পণা রায় ও তার স্বামী শুভাস দাস, বিশ ত্রিশ জন গুন্ডা পান্ডা মিলে এ কমিটি ঘোষণা করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্দিরের কয়েকজন ভক্তবৃন্দ প্রতিবেদককে জানান, আমরা মন্দিরে ঠিক ঠাক মতো যাতায়াত করছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে কিছু লোক এসে মন্দিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। আমরা অনিরাপদ আছি। এ সময় তারা আরো জানান, বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে কিছু লোক মন্দির রক্ষণের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। আমাদের যানা মতে বিএনপি থেকে কোনো লিখিত তাদেরকে দেয়নি কমিটি করার জন্য। অর্পণা রায় ও তার স্বামী শুভাস দাস মিলে এ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। তারা মন্দীরটিকে দখলে নিতে চায়। আমরা জানি বিএনপির উচ্চ মহল থেকে রমনা কালি মন্দির দেখভাল করার জন্য কয়েক জন লোক পাঠিয়েছিলো। অর্পাণা রায় ও তার স্বামী বেশ কয়েক জন গুন্ডা পান্ডা সহ মন্দিরে এসে কমিটিকে কিছু না জানিয়ে, তারা তাদের ইচ্ছে মতো পূজা উৎজাপন কমিটি ঘোষনা দেন। যা আইনিই বহির্ভূত। তারা এতদিন কোথায় ছিলো! তারা যদি মন্দিরের সেবা করতে চায় আসুক কিন্তু একটা সমঝোতার ভিতর থেকে আমাদের সবাইকে নিয়ে। কিন্তু তারা কাউকে পরোয়া না করে, নিজেদের ইচ্ছে মত কমিটি ঘোষনা করে মন্দিরের সভাপতির চেয়ারে বসেন। ৮০০ বছরের এই পুরোনো। মন্দির। আমরা এখানে কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না।
আমরা চাই এখানে দলমত নির্বিশেষে সবাই মিলে এক সাথে মন্দিরের সেবা করতে। এ বিষয়ে অর্পণা রায়ের মুঠো ফোনে কয়েক বার ফোন করলে তার ফোন বন্ধো পাওয়া যায়। তার স্বামী শুভাস দাস প্রতিবেদককে জানান, আমরা কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করিনি। সরকার পতনের পর মন্দিরের কমিটির কার্যক্রম বন্ধ থাকায়। সামনে আমাদের দূর্গা পূজা হতে যাচ্ছে এ জন্য আমরা দূর্গা পূজাটি সকলে মিলে সুন্দর করে করতে পারি। এজন্য একটি পূজা উৎযাপন কমিটি করতে যাচ্ছি। আমরা কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছি না এটা সম্পূর্ন ভুয়া বানোয়াট কথা।