,


শিরোনাম:
«» ভুল তথ্যে সংবাদ প্রকাশ করায় এনবিআর সদস্য কায়কোবাদের প্রতিবাদ «» অনন্যা সাহা (স্বাতী) ৩২তম জন্মদিন। «» বৈষম্যবিরোধীদের ওপর অতর্কিত হামলা, আইসিইউতে ২ ছাত্রী «» হিন্দুদের সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলল ইউনুসের সরকার, বলল… «» নতুন আঙ্গিকে আরো সু-পরিসরে ব্রাদার্স ফার্নিচার লি: এর শো-রুম এখন বরিশাল «» উদ্যোক্তা হাটের ২০২৪ এওয়ার্ড প্রদান «» উত্তরা ব্যাংকের এমডি রবিউল ইসলামের অপসারণ ও পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন। «» ধর্মনিরপেক্ষতা খারিজের পক্ষে ইউনূস সরকার «» ভন্ডপীর সাঈদ আনোয়ার মোবারকী বাবুর বিরুদ্ধে মানববন্দন ও প্রতিবাদ সমাবেশ। «» গাইবান্ধায় ভুয়া প্রেসক্লাব খুলে কথিত সাংবাদিকরা হেনাস্তা করছে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের

মোদির ‘৪০০’র গ্যারান্টিতে কেন আস্থা রাখলেন না ভারতের জনগণ?

মোদির ‘৪০০’র গ্যারান্টিতে কেন আস্থা রাখলেন না ভারতের জনগণ ?

স্বদেশ বাংলা ডেস্কঃ

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সংখ্যা গরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এককভাবে দল হিসেবে ২৩৯টি আসন পেয়েছে বিজেপি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিটি প্রচার সভায় নিয়ম করে নিজের গ্যারান্টির কথা বললেও ভোটের ফল বলছে, তাঁর গ্যারান্টিতে খুব বেশি আস্থা রাখতে পারল না ভারতবাসী। পাঁচ বছর আগে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৩০৩টি আসন পেয়েছিল বিজেপি।

মনে করা হয়, সেই সময় বিজেপির পক্ষে কাজ করেছিল মোদি ম্যাজিক এবং জাতীয়তাবাদী হাওয়া। আরও পড়ুন…ভারতের লোকসভা নির্বাচন, কে কত আসন পেল? পাঁচ বছর পরে অবশ্য সেই ম্যাজিক অনেকটাই ফিকে। তাই এক ধাক্কায় বিজেপির আসনসংখ্যা নেমে এল ২৩৯টি আসনে। নিজের বারাণসী কেন্দ্র থেকে অবশ্য জয় পেয়েছেন মোদী।

তবে গত বারের তুলনায় মোদীর জয়ের ব্যবধান কমেছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ।

মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে অবশ্য সকলকে চমকে দিয়ে এক বার অল্প ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েন মোদী।পরে অবশ্য ক্রমশ ব্যবধান বাড়তে থাকে তাঁর। শেষ পর্যন্ত প্রায় দেড় লক্ষ ভোটে জয়ী হন তিনি।

৪০০ আসন পাওয়ার লক্ষ্যে এ বার লোকসভা নির্বাচনে লড়তে নেমেছিল বিজেপি।স্লোগান উঠেছিল, ‘আব কী বার, চারশো পার’। তবে কার্যক্ষেত্রে আড়াইশ’র ঘরও পেরোতে পারলো না বিজেপি।

ভোটের আগে ‘সঙ্কল্পপত্র’ নামের ইস্তফাপত্র প্রকাশ করেছিল বিজেপি। দলের ইস্তাহার প্রকাশ হওয়ার পর বক্তব্য রাখতে উঠে মোদি বলেছিলেন, “মোদি  গ্যারান্টি এই যে, বিনামূল্যে রেশন বণ্টনের প্রকল্প আগামী ৫ বছরের জন্য চালু থাকবে।”

ফলাফল বলছে, বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ আর এনডিএ-র মধ্যে আসনের ব্যবধান ৬০-এর একটু বেশি। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের তকমাও পায়নি বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে সরকার চালাতে শরিক দলগুলোর ওপরে অনেকটাই নির্ভর করতে হবে বিজেপিকে। সে ক্ষেত্রে এনডিএ-র অন্য দলগুলি বিজেপির উপর চাপ বৃদ্ধি করতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্রে’ এক দেশ এক ভোট, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পদ্মশিবির তাদের এই লক্ষ্যগুলো কতটা পূরণ করতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ভোটের ফল বলছে, দেশে মোদী সরক থাকলেও, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মানুষের ঢালাও সমর্থনে বেশ খানিকটা টান পড়েছে।

Share Button
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ