ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী মামলা
মোঃ মাছুম বিল্লাহ, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার চেঁচরী রামপুর এম,এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী মামলা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন উপজেলার বাঁশবুনিয়া গ্রামের বাসিন্ধা ও একই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক (বিজ্ঞান) সঞ্জিব কুমার দাস (৪৬)। (মামলা নং-৭৮/২০২৩)
মামলাটি এজাহারভুক্ত করার জন্য কাঁঠালিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ওসি মো.শহীদুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে মামলাটি থানায় এজাহারভুক্ত করা হয়েছে।
মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার চেঁচরী রামপুর এম, এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ২০১৮ সনে দূর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের মামলা করেন তৎকালিন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ফরাজী। এ মামলায় ২৭ দিন কারাভোগ করেন প্রধান শিক্ষক। পরে মেহেদী হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করেন ম্যানেজিং কমিটি। ওই মামলার ৮ নং সাক্ষী ছিলেন সহকারি শিক্ষক সঞ্জিব কুমার দাস সহ বিদ্যালয়ের আরো কয়েকজন শিক্ষক। মামলার সাক্ষীতে নাম থাকায় ক্ষুদ্ধ হয়ে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখেন প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান। পরে ওই সকল শিক্ষকদের কাছ থেকে ২ লক্ষ দশ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে তাদের বেতন-ভাতা চালু করেন প্রধান শিক্ষক। এছাড়া সাক্ষীদের মধ্যে ৫ জনকে টাইম স্কেল দেওয়ার কথা বলে আরো ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা নেন তিনি। এতেও সন্তোষ্ট না হয়ে গত বুধবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে এ মামলার বাদী সঞ্জিব দাসকে বিদ্যালয়ের পুর্ব পাশের টিন সেট ভবনে ডেকে নেন প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান। সেখানে নিয়ে সঞ্জিব দাসের নিকট দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন প্রধান শিক্ষক। এনিয়ে দুই জনার মধ্যে তর্কবির্তক হয়। এক পর্যায় মামলার বাদীকে মারধর করতে উদ্যত হয় প্রধান শিক্ষক। এসময় অন্যান্য শিক্ষকরা সেখানে উপস্থিত হলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
সকল অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান জানান, বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক সরোয়ার হোসেনকে আর্থিক দূর্নীতি ও নিয়োগ জাল জালিয়াতির কারণে ম্যানেজিং কমিটি প্রথমে সাময়িক পরে চুরান্ত বরখাস্ত করেন। এ ক্ষোভে তার বিরুদ্ধে সরোয়ার হোসেনের অনুসারী সঞ্জিব কুমার দাসকে দিয়ে এ মিথ্যা মামলা করানো হয়। তিনি আরো জানান এর আগেও স্থানীয় মুন্নী আক্তার ও নাজমা বেগম নামের দুই নারীকে দিয়ে তার বিরুদ্ধে দুটি মিথ্যা করান সরোয়ার হোসেন। যাহা তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হয়।
থানার ওসি মো.শহীদুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলাটি এজাহার ভুক্ত করা হয়েছে। আসামী গ্রেফতারের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার চেঁচরী রামপুর এম, এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ২০১৮ সনে দূর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের মামলা করেন তৎকালিন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ফরাজী। এ মামলায় ২৭ দিন কারাভোগ করেন প্রধান শিক্ষক। পরে মেহেদী হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করেন ম্যানেজিং কমিটি। ওই মামলার ৮ নং সাক্ষী ছিলেন সহকারি শিক্ষক সঞ্জিব কুমার দাস সহ বিদ্যালয়ের আরো কয়েকজন শিক্ষক। মামলার সাক্ষীতে নাম থাকায় ক্ষুদ্ধ হয়ে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখেন প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান। পরে ওই সকল শিক্ষকদের কাছ থেকে ২ লক্ষ দশ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে তাদের বেতন-ভাতা চালু করেন প্রধান শিক্ষক। এছাড়া সাক্ষীদের মধ্যে ৫ জনকে টাইম স্কেল দেওয়ার কথা বলে আরো ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা নেন তিনি। এতেও সন্তোষ্ট না হয়ে গত বুধবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে এ মামলার বাদী সঞ্জিব দাসকে বিদ্যালয়ের পুর্ব পাশের টিন সেট ভবনে ডেকে নেন প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান। সেখানে নিয়ে সঞ্জিব দাসের নিকট দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন প্রধান শিক্ষক। এনিয়ে দুই জনার মধ্যে তর্কবির্তক হয়। এক পর্যায় মামলার বাদীকে মারধর করতে উদ্যত হয় প্রধান শিক্ষক। এসময় অন্যান্য শিক্ষকরা সেখানে উপস্থিত হলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
সকল অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান জানান, বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক সরোয়ার হোসেনকে আর্থিক দূর্নীতি ও নিয়োগ জাল জালিয়াতির কারণে ম্যানেজিং কমিটি প্রথমে সাময়িক পরে চুরান্ত বরখাস্ত করেন। এ ক্ষোভে তার বিরুদ্ধে সরোয়ার হোসেনের অনুসারী সঞ্জিব কুমার দাসকে দিয়ে এ মিথ্যা মামলা করানো হয়। তিনি আরো জানান এর আগেও স্থানীয় মুন্নী আক্তার ও নাজমা বেগম নামের দুই নারীকে দিয়ে তার বিরুদ্ধে দুটি মিথ্যা করান সরোয়ার হোসেন। যাহা তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হয়।
থানার ওসি মো.শহীদুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলাটি এজাহার ভুক্ত করা হয়েছে। আসামী গ্রেফতারের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
এ ধরনের আরো সংবাদ





