,


শিরোনাম:
«» ভুল তথ্যে সংবাদ প্রকাশ করায় এনবিআর সদস্য কায়কোবাদের প্রতিবাদ «» অনন্যা সাহা (স্বাতী) ৩২তম জন্মদিন। «» বৈষম্যবিরোধীদের ওপর অতর্কিত হামলা, আইসিইউতে ২ ছাত্রী «» হিন্দুদের সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলল ইউনুসের সরকার, বলল… «» নতুন আঙ্গিকে আরো সু-পরিসরে ব্রাদার্স ফার্নিচার লি: এর শো-রুম এখন বরিশাল «» উদ্যোক্তা হাটের ২০২৪ এওয়ার্ড প্রদান «» উত্তরা ব্যাংকের এমডি রবিউল ইসলামের অপসারণ ও পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন। «» ধর্মনিরপেক্ষতা খারিজের পক্ষে ইউনূস সরকার «» ভন্ডপীর সাঈদ আনোয়ার মোবারকী বাবুর বিরুদ্ধে মানববন্দন ও প্রতিবাদ সমাবেশ। «» গাইবান্ধায় ভুয়া প্রেসক্লাব খুলে কথিত সাংবাদিকরা হেনাস্তা করছে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের

জনপ্রিয় বানিজ্যিক শহর বগুড়া

 

নাজমুল হোসেন (বগুড়া) নিজস্ব প্রতিনিধি : উত্তরবঙ্গের একটি শিল্প ও বানিজ্যিক শহর বগুড়া। এটি রাজশাহি বিভাগের অন্তভূক্ত। বগুড়াকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বলা হয়। বগুড়া একটি শিল্পের শহর। এখানে ছোট বড়, মাঝারি ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

বগুড়ার ইতিহাস খুবই প্রাচিন। জনাব,নাসির উদ্দিন বগড়া খানের নামে বগুড়ার নামকরণ করা হয়। যা ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়। বগুড়া জেলা এক সময় পুন্ডবর্ধনের রাজধানী ছিল। যার বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। ইতিহাস সাক্ষ্য যে, বগুড়া জেলা প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৮২১ সালে। যার মোট আয়তন ২,৮৯৮.৬৮ বর্গ. কিমি.।

 

এছাড়া বগুড়া জেলার মোট জনসংখ্যা ৩৫,৩৯,২৯৪ জন(আদমশুমারি ২০১১)। আর প্রতি কি.মি. লোক বাস করে ১,১৭৩ জন। এদিকে বাংলাদেশর ৬৪ টি জেলার মধ্যে আয়তনে ১৭ তম এবং জনসংখ্যায় ৮ম।

বগুড়া শহরটি স্থানিয় করতোয়া নদীর কোল ঘেঁষে অবস্থিত। বগুড়া জেলার উপজেলা ১২ টি, পৌরসভা ১২, ইউনিয়ন ১০৮ টি এবং গ্রাম সংখ্যা ২,৬১৮ টি। উপজেলা সমূহ:বগুড়া সদর, কাহালু, শিবগঞ্জ, গাবতলি, সোনাতলা,ধূনট, আদমদীঘি,নন্দিগ্রাম, দুপচাচিয়া, শাজাহানপুর, সারিয়াকান্দি এবং শেরপুর।
উপজেলার মধ্যে সর্ববৃহৎ উপজেলা সারিয়াকান্দি ৪০৮.৪৫বর্গ কিমি. এবং ক্ষুদ্রতম উপজেলা সোনাতলা ১৫৬.৭৩ বর্গ কিমি. ।

 

এদিকে বগুড়া দইয়ের জন্য বিখ্যাত। এটি দেশ তথা বিদেশ পর্যন্তও খ্যাতি রয়েছে। শুধুতাই নয়, পর্যটনের জন্য রয়েছে ঐতিহ্যবাহি প্রত্নতাত্ত্বিক ভাবে বিখ্যাত মহাস্থানগড়। এছাড়া আছে বেহুলার বাসর ঘর সহ অনেক কিছু। জুতা তৈরিতেও বিখ্যাত বগুড়া।

শহরে শহীদ চান্দু নামে একটি আন্তজাতিক মানের স্টেডিয়াম রয়েছে। টিকিৎসার জন্য সুপরিচিত শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। যার প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৯২ সাল।

যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই ভালো। বাস, ট্রেন উভয় পথেই রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ রয়েছে। আর শহরেরর অদূরে কাহালুতে রয়ছে একটি বিমানবন্দর।

আরো জানা যায় যে, ভারতের রাজা আশক বাংলা জয় করার পর এর নাম রাখেন পুন্ডবর্ধন। যা প্রাচিন বাংলার রাজধানী ছিল।

বগুড়া শিক্ষায় এগিয়ে। আর সাক্ষরতার হার ৪৯.৪% এবং সাক্ষরতা আন্দোলনের নাম “উদয়ন”। শিক্ষার জন্য রয়েছে শহরের কেন্দ্রস্থলে বগুড়া জিলা স্কুল যা ১৮৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।শুধু তাই নয়, নারি শিক্ষার প্রসারের জন্য রয়েছে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। তাছাড়া রয়েছে ক্যন্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। ইংরেজি শিক্ষার জন্য রয়েছে মিলেনিয়াম স্কলাস্টিক স্কুল এন্ড কলেজ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সুপরিচিত সরকারি আজিজুল হক কলেজ, সরকারি শাহ সুলতান কলেজ এছাড়া কারিগরি শিক্ষার জন্য রয়েছে বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।

আলোচ্য বিষয় এই যে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধেরর সময় বগুড়া ৭ নং সেক্টরেরর অধিনে ছিল।

 

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্তের মধ্যে রয়েছে সেক্টর কমান্ডার এবং জেড ফোর্সের প্রধান মেজর জিয়াউর রহমান । এছাড়া,সাহিত্যিক রোমেনা আফ্ফাজ, চলচিএ নির্মাতা আবু সাইদ, বগুড়ার গর্ব সকলের অহংকার মুশফিকুর রহিম।

বগুড়ায় মোট সংসদীয় আসন ৭টি। আসন নং ৩৬ – ৪২ পর্যন্ত। এছাড়া বগুড়া থেকে প্রকাশিত পএিকা রয়েছে দৈনিক করতোয়া, দৈনিক বগুড়া সহ আরো অনেক। পরিশেষে সবদিক দিয়ে বগুড়া একটি বানিজ্যিক শহর

উল্লেখ্য যে,হামরা বগুড়ার ছোল (স্থানিয় ভাষা)।

Share Button
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ